রিমা পরীক্ষা দিতে যাওয়ার সময় পরীক্ষা খারাপ হবে এবং শূন্য পাবে এই আশঙ্কায় ডিম খেতে চায় না। তার শিক্ষিকা মা তাকে বোঝান ডিম খাওয়ার সাথে পরীক্ষায় শূন্য পাওয়ার কোনো সম্পর্ক নেই। মায়ের কথায় রিমা ডিম খেয়ে পরীক্ষা দিতে যায় এবং পরীক্ষা ভালো হয়। এতে রিমার ভুল ভাঙে।
উদ্দীপকের রিমার মা আর 'তৈলচিত্রের ভূত' গল্পের পরাশর ডাক্তার উভয়ই আধুনিক মানসিকতার অধিকারী- উক্তিটি যথার্থ।
মানুষের মাঝে বিজ্ঞানসম্মত চিন্তাচেতনার অভাবে মানুষ অন্ধকারে বসবাস করে। কুসংস্কার আর অন্ধকারাচ্ছন্নতার কারণে মানুষ ভূতে বিশ্বাস করে। কিন্তু বিজ্ঞানসম্মত দৃষ্টিভঙ্গির আলোকে এগুলো ভিত্তিহীন বিষয়।
উদ্দীপকের রিমা পরীক্ষা দিতে যাওয়ার সময় ডিম খেতে চায় না। কারণ সে মনে করে ডিম খেলে তার পরীক্ষা খারাপ হবে ও শূন্য পাবে। কিন্তু রিমার শিক্ষিকা মা বুঝিয়ে রিমার মাঝে বিরাজমান কুসংস্কার দূর করেন। 'তৈলচিত্রের ভূত' গল্পের নগেন তার মামার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে তৈলচিত্রের ওপর হাত রাখতে গিয়ে বৈদ্যুতিক শককে ভূত ভেবে অনেক ভয় পেয়ে যায়। পরাশর ডাক্তার তাঁর বিজ্ঞানসম্মত দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে বিষয়টি নিয়ে ভাবতে থাকেন। শেষে বুঝতে পারলেন যে, তৈলচিত্রটি রূপার ফ্রেমে আটকানো এবং তাতে বিদ্যুৎ সংযোগ রয়েছে বলে এরূপ ঘটেছে। বিষয়টি তিনি নগেনকে ব্যাখ্যা করে বুঝিয়ে দিলে নগেনের ভ্রান্ত ধারণা দূর হয়।
'তৈলচিত্রের ভূত' গল্পের পরাশর ডাক্তার আধুনিক মানসিকতার মানুষ। তৈলচিত্রের ভূত বিষয়ে তার দেওয়া ব্যাখ্যা আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত। উদ্দীপকের রিমার শিক্ষিকা মায়ের মাঝেও আধুনিক মানসিকতার প্রতিফলন ঘটেছে। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত উক্তিটি যথার্থ।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?